• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ২৯ আগষ্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  • Govt. SL. No:-352

Advertise your products here

ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর লেলিন মুন্সি অবৈধ হুন্ডির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন


ডে-নাইট-নিউজ ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১১:৫০ এএম;
ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর লেলিন মুন্সি অবৈধ হুন্ডির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন
ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর লেলিন মুন্সি অবৈধ হুন্ডির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন

ক্রাইম রিপোর্টার : অবৈধ মানিএক্সচেঞ্জের দোকান খুলে এখনো হুন্ডির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন গোপালগঞ্জের লেলিন মুন্সী। বিগত ১৫ বছর ধরে গুলশান জব্বার টাওয়ার, ২য় তলায় রহমান মানিচেঞ্জার নামে ছোট একটি দোকান নিয়ে তিনি অন্য এক লোকের খুলনার মানিএক্সচেঞ্জের লাইসেন্স নিয়ে রাজধানী ঢাকাতে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। মূলতঃ তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ও গোপালগঞ্জের কিছু পুলিশের ক্ষমতায় ঢাকায় তিনি এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার সাহস পান যা বর্তমানেও চালিয়ে যাচ্ছেন। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি থানা এলাকার পদ্মবিলা সাহেবের চর গ্রামের চুন্নু মুন্সীর পুত্র লেলিন মুন্সী বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর। গোপালগঞ্জের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গী করে চালিয়ে গেছেন তাঁর হুন্ডির ব্যবসা। আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালীন লেলিন মুন্সীর কনো অসুবিধা হয়নি হুন্ডি ব্যবসায় কারণ আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সাথে ব্যবসা করেছেন তিনি। আওয়ামী নেতাদের বিদেশে টাকা পাচারের একমাত্র আস্থার স্থল ছিল এই লেলিন মুন্সি। গুঞ্জন আছে তিনি আওয়ামী নেতাদের শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন। এর জন্য তিনি একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে একচেটিয়া টাকা কামিয়েছেন। বিশেষ করে পুলিশে ছিল তার বিশেষ আধিপত্য এখানে লেলিন মুন্সীর গডফাদার হিসেবে ছাঁয়ার মত পাহারা দিয়ে রাখতেন কাশিয়ানির  সন্তান এন্টি টেররিজম ইউনিটের এসপি মাহাফুজুল আলম রাসেল।.

 .

 .

এই এসপি মাহাফুজুল আলম রাসেলের সহযোগিতায় নানা দুর্নীতি, অনিয়ম, অবৈধভাবে পুলিশের মধ্যে বিভিন্ন কন্ট্রাক্টরির কাজ করে বিপুল অবৈধ সম্পদসহ নগদ টাকার পাহাড় গড়েছেন। জুলাই আন্দেলনের সময় লেলিন মুন্সি মরিয়া হয়ে বাড্ডা এলাকায় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের মোটা অংকের আর্থিক সহয়তা করেছেন। এখানে প্রতিটি হত্যার পেছনে হন্তারকদের উদ্দিপনা হিসেবে লেলিন মুন্সির হাত ছিল প্রসারিত। গোপালগঞ্জের সরকারকে টিকাতে অনেক টাকা যোগাড় করে খরচ করেছেন। জানা যায় গোপালগঞ্জের এমপি কর্নেল (অব.) ফারুক খানের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা পেয়েছেন। বাড্ডা রামপুরা ও গুলশান এলাকায় আন্দেলনরত ছাত্রদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের বাহিনীকে সচল রাখতে। এসময় এখানে আন্দেলনও হয়েছে জবরদস্ত। ভুয়া লাইসেন্স দিয়ে রহমান মানিএক্সচেঞ্জ সাইনবোর্ডের আড়ালে দেশে বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করেছেন।.

 .

 .

বিপুল সম্পদের মালিক এই লেলিন মুন্সির রাজধানীর পূর্বাঞ্চলে ২টা প্লট করেছেন, এই প্লট শ্বশুরের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন শ্বশুর মশাই পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কনস্টেবল ছিলেন। লেলিন মুন্সি নগদ টাকায় জমি ক্রয় করেছেন গোপালগঞ্জ কাশিয়ানী সাহেবচর বাথানডাংগা পদ্মবিলা এলাকায় সাথে ঢাকায় মাওয়া রোডে জায়গা আছে, বাড্ডা এলাকায় এপার্টমেন্ট করেছেন। এসপি মাহাফুজুল আলম রাসেলের সহযোগিতায় বিগত কয় বছর বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন এবং এসপি রাসেল হুন্ডির মাধ্যেমে লেলিনের হাত ধরে পাচার করেছেন কোটি কোটি টাকা। সাথে মাহাফুজুল আলম রাসেলের বেনামের অধিকাংশ সম্পত্তি লেলিনের নামে রয়েছে। যা এসপি রাসেল অবৈধভাবে অর্জন করেছেন। গোপালগঞ্জ কাশিয়ানি সাহেবের চর বাথান ডাঙ্গা মৌজায় নামে বেনামে ২০ বিঘা সম্পত্তি রয়েছে, লেলিন মুন্সি এই সম্পত্তি গত দুই বছরে ক্রয় করেছেন। সাথে ৬০ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি সিআরবি জিপ গাড়ি ক্রয় করেছে।.

 .

এর পিছনেও রয়েছে অবৈধ টাকার ব্যবহার। বর্তমানে এসপি রাসেল বিভিন্ন মামলায় অর্ন্তভূক্ত হওয়ার কারণে গা ঢাকা দিয়েছে এবং লেলিন তার কন্ট্রক্টরি ব্যবসা গুটিয়ে গুলশান জব্বার টাওয়ারে অবৈধ হুন্ডির ব্যবসা দেধারছে করে যাচ্ছে। এই ব্যবসা নগদ ৫ কোটি টাকা ইনভেস্টমেন্ট রয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানা যায় মাহাফুজ আলম রাসেল এর বাড়ি গোপালগঞ্জ কাশিয়ানী থানায় যিনি বিপুল পরিমাণ কালো টাকার মালিক, তার সম্পত্তির কালো টাকা সব দেখভাল করেন লেলিন মুন্সি যিনি তাঁর কথিত বন্ধু। বিগত কোরবানির ঈদে এই এসপি রাসেল লেলিনদের বাড়িতে অবৈধ ৫ লক্ষ  টাকায় গরু কিনে কোরবানি করেছেন।.

 .

এই এসপি রাসেল জঙ্গী নাটক সাজিয়ে কাড়ি কাড়ি টাকা উপার্জন করেছেন, এই জঙ্গী নাটক সাজানোর পিছনে লেলিন মুন্সিও গুলশান, বাড্ডা, বারিধারা ও রামপুরা এলাকা নিয়ন্ত্রন করতেন বলে জানা যায়। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় এমন কনো অবৈধ কাজ নেই যে লেলিন মুন্সি করেননি। সম্প্রতি গোপালগঞ্জে এনসিপি’র উপর হামলার বিষয়ে স্থানীয়দের সহয়তা করার অভিযোগ আছে। এই লেলিন মুন্সিকে আটক করে রিমান্ডে নিলে আরো সব চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে এলাকাবাসী মনে তবে লেলিন মুন্সি জানান এন্টি টেররিজম ইউনিটের এসপি মাহাফুজুল আলম রাসেল তাঁর এলাকার লোক এবং তাঁর সাথে অন্য কনো সম্পর্ক নেই এমনকি ব্যবসায়িক কনো সম্পর্ক নেই। .

 .


এদিকে জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দিয়ে ‘শুভ’ নামে এক ব্যক্তি তার ০১৯৭৯২১৬৪৪১ মোবাইলের মাধ্যমে হোয়াটস অ্যাপে এই প্রতিবেদক ও সম্পাদককে প্রাণনাশের ইংগিত দিয়ে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করেন। এইসব অপরাধী তথা লেলিন মুন্সির পক্ষে দালালি করতে যেয়ে তিনি নিজেকে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়ে এই প্রতিবেদক ও সম্পাদককে প্রাণনাশের ইংগিত দিয়ে বিভিন্ন হুমকি দেন। এবিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ও আইনজ্ঞদের সাথে কথা বলে জুলাই যোদ্ধার নাম বিক্রি করা ওই ‘শুভ’ নামের ওই গুন্ডার বিরুদ্ধে দ্রুতই আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।.

.

ডে-নাইট-নিউজ /

অপরাধ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ