নিজেস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের সিদ্দিরগঞ্জের ৫ নং ওয়ার্ডে নির্বাচন চলাকালীন বৃহস্পতিবার ( ১২ ফেব্রুয়ারি ) স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল এর কর্মী সজল, সুজন সহ একাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তি একই ওয়ার্ডের ধানের শীষের কর্মী মূসা কে সহ বেশ কয়েকজন কে মার ধরের অভিযোগ উঠেছে। ধানের শীষের কর্মী মূসাকে গুরুত্বর আঘাত করেছে বলে অভিযোগ করেছে ধানের শীষের কর্মী মূসা। তার দাবী নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান এর বিরুদ্ধে ধানের শীষের ভোটারদের ফুটবলে ভোট দিতে সিদ্দিরগঞ্জের ৫ নং ওয়ার্ড রেবতী মোহন স্কুল এন্ড কলেজ বাহিরে দাড়িয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। এবং আমাদের বিএনপির এমপি প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান ভাই এর ছেলে খাইরুল ইসলাম সজিব চাচ্চু যখন রেবতী মোহন স্কুল এন্ড কলেজে পর্যবেক্ষণ করতে আসে তখন আমি সাথে ছিলাম এবং খাইরুল ইসলাম সজিব চাচ্চু কে ঢুকতে বাধা ও ভোটারদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করছিল ফুটবলের কর্মী সজল সুজন সহ একাধিক ব্যক্তি। আমি তাদের অন্যায়ে বাধা দেই এবং ফুটবলের কর্মী কেন্দ্রের বাহিরে দাড়িয়ে ধানের শীষের ভোটারদের কেন ফুটবলে ভোট দিতে বলছিল সেই বিষয়ে প্রতিবাদ করি। এর পর খাইরুল ইসলাম সজিব চাচ্চু কেন্দ্র থেকে চলে গেলে ফুটবল কর্মী ক্ষিপ্ত হয়ে কেন্দ্রের বাহিরে সজল সুজন সহ একাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তি সবাই আমাকে এলোপাথাড়ি কিল ঘুষা এবং ছুরি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। পরে আমাদের সহকর্মী এবং আইন শৃংখলা বাহিনীর সহযোগিতা আমাকে ফুটবলের উগ্র কর্মী সজল ও সুজনদের কাছ থেকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করায় । পরে আমি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সিদ্দিরগঞ্জ থানায় গিয়ে সজল এবং সুজন সহ অজ্ঞাত সকলের নামে মৌখিক অভিযোগ করি। অপর দিকে ৫ নং ওয়ার্ডের ফুটবলের উগ্র নেতাকর্মী আমাকে ভোট দিতে দিবে না বলে হুমকি দামকি দিতে থাকে। এক পর্যায় পুলিশের এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতায় রেবতী মোহন স্কুল এন্ড কলেজে কেন্দ্র আমার ভোট দিতে সক্ষম হই। মূলত ফুটবল কর্মী এলাকায় এক অপরাধের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাদের বিরুদ্ধে এলাকা বাসীর অভিযোগ রয়েছে তারা চুরি, ছিনতাই, ভূমি দক্ষল, মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জরিত। জুলুমের স্বীকার ধানের শীষের কর্মী মূসা বলেন এদের বিরুদ্ধে সবাই কে এক হয়ে আমাদের বিএনপির মনোনীত বিজয়ী এমপি মান্নান ভাইয়ের হাত কে শক্তিশালী করে প্রতিহত করতে হবে। আমার উপর আক্রমণের ঘটনায় ফুটবল কর্মীদের শাস্তি দাবি করছি।.
ডে-নাইট-নিউজ /
আপনার মতামত লিখুন: