• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৩ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • Govt. SL. No:-352

Advertise your products here

লক্ষ্মীপুরে মহিষ উদ্ধার, চোর অধরা


ডে-নাইট-নিউজ ; প্রকাশিত: সোমবার, ১০ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:৪৪ পিএম;
লক্ষ্মীপুরে মহিষ উদ্ধার, চোর অধরা
লক্ষ্মীপুরে মহিষ উদ্ধার, চোর অধরা

লক্ষ্মীপুরে একটি মহিষ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৮জুন) সদর উপজেলার চর রমনী মোহন ইউনিয়নের উত্তর চর রমনী গ্রামের হারুন মোল্লার বাড়ি সংলগ্ন খাল থেকে মহিষটি উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে মহিষটি চুরি করে বাড়ি সংলগ্ন খাল পাড়ে বেঁধে রেখেছে হারুন মোল্লার ভাই আলমগীর মোল্লা। তবে হারুন মোল্লা প্রথমে মহিষটি নিজেদের দাবি করলেও সঠিক প্রমান দিতে না পারায় পুলিশ মহিষের প্রকৃত মালিক নোমানের কাছে মহিষটি হস্তান্তর করে।.

 .

জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ২০নং উত্তর চর রমনী মোহন ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডে কৃষক নোমানের খামার থেকে প্রায় ১০ দিন আগে একটি মহিষ চুরি হয়। যা ওই ইউনিয়নের মহিষ ব্যবসায়ী আলমগীর মোল্লার বাড়ির পাশে খালের নিচে পানিতে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তা জানাজানি হলে মহিষটি পুলিশের তত্ত্বাবধানে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে সালিশিং মীমাংসার মাধ্যমে মহিষটির প্রকৃত মালিক নুর আলম এবং নোমান  হাতে তুলে দেয়া হয়।.

নোমান ব্যাপারী জানায়, আমি আলমগীর মোল্লার বাড়ির পাশে থেকে মহিষ আনতে গেলে তারা আমার চোখ তুলে ফেলা হুমকি দেয়। পরে আমি চেয়ারম্যান কে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানিয়ে সেখান থেকে চলে আসি।.

শাহাদাৎ ফয়সাল বলেন, হারুন মোল্লা এবং আলমগীর মোল্লা রাজনীতির দোহাই দিয়ে চরে গরু-মহিষ চুরির নেতৃত্ব দিচ্ছে। এর আগেও তারা মানুষের গরু চুরি করে খেয়ে ফেলেছে। এছাড়া চরের গরু চুরির নেতৃত্ব দিচ্ছে হারুন মোল্লা এবং আলমগীর মোল্লা। তার নামে আগেও গরু চুরির মামলা হয়েছে।.

মহিষ ব্যাপারী রব মোল্লা বলেন, মহিষটি নোমানে অনেকদিন ধরেই লালন পালন করে আসছে, কিন্তু হারুন মোল্লার ভাই আলমগীর মোল্লা এই মহিষকে চুরি করে নিয়ে এসেছে।.

মহিষ ব্যবসায়ী মনির বলেনগত বছর হারুন মোল্লা আমার একটি মহিষ জবাই করে খেয়ে ফেলেছে। আমি প্রতিবাদ করলে তারা বলে আমাদের এলাকায় ব্যবসা করো, আমরা গরু একটা নিয়ে খেয়ে ফেলেছি, এটা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করিও না।.

 .

এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হারুন মোল্লা। তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটানো হচ্ছে। আমাদের একটি মহিষ হারিয়েছে। তাদেরও নাকি একটি মহিষ হারিয়েছে। পুলিশ বিষয়টি সমাধান করে তাদেরকে মহিষ বুঝিয়ে দিয়েছে এবং আমাদেরকে বলেছে জিডি করার জন্য। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন আনোয়ার বলেন, যেহেতু কেউ অভিযোগ করে নি তাই বিষয়টি সমাধান করে প্রকৃত মালিককে মহিষটি বুঝিয়ে দেওয়া.

 . .

ডে-নাইট-নিউজ / লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

অপরাধ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ