• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • Govt. SL. No:-352

Advertise your products here

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেসরকারি স্কুলে ‘ভর্তি বাণিজ্য’ ও ‘কোচিং সিন্ডিকেট’ এ জিম্মি অভিভাবকরা


ডে-নাইট-নিউজ ; প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:৫৩ পিএম;
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেসরকারি স্কুলে ‘ভর্তি বাণিজ্য’ ও ‘কোচিং সিন্ডিকেট’ এ জিম্মি অভিভাবকরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেসরকারি স্কুলে ‘ভর্তি বাণিজ্য’ ও ‘কোচিং সিন্ডিকেট’ এ জিম্মি অভিভাবকরা

রিপোর্ট রুমান খাঁন :ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর ও আশপাশের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার নামে চলছে রমরমা ‘ভর্তি বাণিজ্য’।.

সরকারি নিবন্ধন থাকলেও অনেক প্রতিষ্ঠান নীতিমালা তোয়াক্কা না করে অভিভাবকদের পকেট কাটছে।
প্রতি বছর একই স্কুলে ‘পুনঃ ভর্তি’র নামে মোটা অংকের টাকা আদায় এবং নিজ স্কুলের শিক্ষকদের কাছে কোচিং করতে বাধ্য করার অভিযোগে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী অভিভাবকরা।.

 .


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, সন্তানকে একবার স্কুলে ভর্তি করার পরও প্রতি বছর নতুন সেশনে সেশন ফি ও উন্নয়ন ফি’র নামে হাজার হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এই খরচ মেটানো প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।.


৩ জন স্কুলপড়ুয়া সন্তানের এক পিতা আক্ষেপ করে বলেন,একই স্কুলে প্রতি বছর কেন নতুন করে ভর্তি হতে হবে? এটা তো রীতিমতো ডাকাতি।.


অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্কুল ছুটির পর ওই স্কুলের শিক্ষকদের কাছেই প্রাইভেট পড়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
যদি কোনো শিক্ষার্থী বাইরে অন্য কোনো শিক্ষকের কাছে পড়ে, তবে পরীক্ষায় তাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কম নম্বর দেওয়া বা রেজাল্ট খারাপ করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।.


এতে করে শিক্ষার্থীরা মানুষিক চাপে পড়ছে এবং পড়াশোনার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।
সরকারি বিধি অনুযায়ী, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো নিজস্ব খেয়ালখুশিমতো ফি নির্ধারণ করতে পারে না।
কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অধিকাংশ স্কুল এই নিয়ম মানছে না।
শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার অজুহাতে তারা দফায় দফায় বেতন ও আনুষঙ্গিক ফি বৃদ্ধি করছে।.


অনেক ক্ষেত্রে স্কুলের নির্ধারিত সময়ের বাইরেও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘক্ষণ কোচিংয়ে আটকে রাখা হচ্ছে, যা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জেলা শিক্ষা অফিস ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্কুলগুলোতে নিয়মিত ঝটিকা অভিযান চালানো প্রয়োজন।.


শিক্ষা বাণিজ্যের এই সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে জেলার সাধারণ পরিবারের সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে।.


​এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সচেতন অভিভাবক সমাজ।. .

ডে-নাইট-নিউজ /

শিক্ষা বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ