সাদিক বিপ্লব বিশেষ প্রতিনিধি : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ ( বাসাইল- সখিপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল-এর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারী ২৬) মির্জাপুর উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মোঃ সুজন মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ গোলাম মাহবুব খাঁন-এঁর আদালতে হাজির হয়ে আইন শৃংঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২ এর ৪/৫ ধারা অনুযায়ী মামলার আবেদন করেন।.
.
.
আদালত আবেদন আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানা (মির্জাপুর) এর অফিসার ইনচার্জকে অভিযোগকারী কর্তৃক দাখিলকৃত অভিযোগটি এফ আই আর হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন।
মামলায় সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে আট নম্বরসহ চুয়াল্লিশ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও একশত পঞ্চাশ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে ।.
.
.
মামলায় প্রধান আসামী করা হয়েছে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভকে। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আসামীরা হলেন- মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মীর শরীফ মাহমুদ, সাধারন সম্পাদক তাহারিম হোসেন সীমান্ত, তার ব্যক্তিগত সহকারী মীর আসিফ অনিক, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, গোড়াই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (পশ্চিম) সভাপতি হাজী হুমায়ূন কবির, ছাত্রলীগ সদস্য খান আহমেদ জয়নাল।.
মামলার বিবরনে আট নং আসামী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং ঢাকা দক্ষিনের সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপসের ব্যবসায়িক পার্টনার ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন নিপীড়নের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।.
অন্যদিকে ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের অন্যতম অর্থের যোগানদাতা হিসেবেও তার নামও শোনা যাচ্ছে শীর্ষস্থানে ।খুব শীঘ্রই কেন্দ্রীয়ভাবে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।.
অপরদিকে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, সখীপুর ও বাসাইলে উপজেলা হতেও একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের বিরুদ্ধে দূর্নীতি, অনিয়ম, সরকারি - বেসরকারি ভূমি দখল, জমি দখল , বাড়ি উচ্ছেদ, রাস্ট্রদ্রোহী ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলায় অর্থের যোগানদাতাসহ নানান অভিযোগে অভিযুক্ত । .
সুতরাং সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল উপরোক্ত নানাবিধ অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলার করার প্রস্তুতি চলছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে।
এ মামলার বিষয়ে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের কোন যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে তাঁর কোন প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
তবে সখীপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সখিপুর উপজেলা প্রতিনিধি এবং সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের সিনিয়র শিক্ষক অধ্যাপক ইকবাল গফুর ভাই'র তথ্য সুত্রে জানা গেছে যে, সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের বিশ্বস্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী ফজলুল হক বাচ্চু বলেছেন যে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে একটি মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। তবে যত ষড়যন্ত্রই হোক সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবশ্যই অংশ নিবেন।.
.
ডে-নাইট-নিউজ /
আপনার মতামত লিখুন: