
সূর্য আহমেদ মিঠুন - স্টাফ রিপোর্টার :বাংলাদেশের মধ্যে প্রাচ্যের ড্যান্ডি খ্যাত জেলা নারায়ণগঞ্জ। এই জেলায় সরকারি দুটি হাসপাতাল রয়েছে। খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতাল (ভিক্টোরিয়া) নারায়ণগঞ্জ । শহরের প্রাণ কেন্দ্র খাঁনপুরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। ঘন বসতিপূর্ণ এ জেলায় প্রতিদিনই বিভিন্ন জায়গা সহ আশে-পাশের বিভিন্ন জেলা থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে হাজার হাজার মুমূর্ষ রোগী ও স্বজনরা। তথ্য সূত্রে জানা যায়, সরকারি এই হাসপাতালকে ঘিরে শহর জুড়ে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে নামে-বেনামে ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক। ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকগুলোতে প্রতিনিয়তই নানা ধরনের প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করে পরীক্ষা বাণিজ্যে মেতে উঠেছেন। ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠা ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের নিজস্ব দালাল দ্বারা ভালো চিকিৎসা সেবা দেয়ার কথা বলে প্রতারণা করছে।.
.
হাসপাতালটির সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রবেশ গেট সহ আউটডোর, জরুরি বিভাগের বিভিন্ন জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফাঁদ পেতে ঘুরা ঘুরি করছে দালালরা। টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে সকল বিভাগের সামনে রয়েছে দালালদের অবস্থান। এছাড়া এক দল দালালের অবস্থান তো ডাক্তারদের রুমের পাসেই অবস্থান করে। লাইনে থাকা রোগীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে মাত্র ১০টাকায় ডাক্তার দেখানো হয় বলে আশেপাশের ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠা ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে নিয়ে অযথা পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিয়ে রোগীদের সর্বশান্ত করছে। এছাড়াও হাসপাতালের কিছু কিছু ষ্টাফও দালালদের সাথে যুক্ত হয়ে ডাক্তার যে সকল পরীক্ষা করতে দেয় সে কাগজ ও রোগীকে ভুল বুঝিয়ে ডাইগোনেস্টিকের দালালদের হাতে ধরিয়ে দেয়। অনেক সময় তাদের নির্দিষ্ট সেন্টার থেকে পরীক্ষা করানোর জন্য জোড় করে নিয়ে যায়। .
.
.
স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে যে, এই হাসপাতালে দালালরা সক্রিয়ভাবে রোগীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে এবং তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। এই কারণে সাধারণ রোগীরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা করাতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন এবং তাদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। সম্প্রতি সময়ে আরো দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালে চুরি ছিনতাই অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি যারা এই চুরির ছিনতাই করছে মূলত স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে এবং যারা মাদক সেবনকারী।বেশিরভাগ সময় দেখা যাচ্ছে তারা দেয়াল টপকে এসে জানালা দিয়ে ছিনতাই বা চুরি করে আবার দেয়াল টপকে চলে যাচ্ছে। বর্তমানে চুরি ছিনতাই এর আতঙ্কে সেবা প্রত্যাশী রোগীরা রয়েছে অনেক বেশি আতঙ্কে। এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজন এবং স্বাস্থ্য সেবা প্রত্যাশীরা দাবি করছেন যেন নিরাপত্তা প্রহরী আরো জোরদার করা হয়। অপরদিকে হাসপাতালের সূত্র মতে জানা যায়, কিছু কিছু ডাক্তার পার্সেন্টিজ.
.
পাওয়ার আশায় মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং লাইসেন্সবিহীন ওষুধ রোগীদের লিখে দিচ্ছেন। যা রোগীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এমনকি জীবন হুমকির মুখে পড়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগী বলেন, আল্লাহ তাআলার পরে মানুষ বিশ্বাস করে ডাক্তারকে সেই ডাক্তারি যদি উল্টাপাল্টা মেয়াদ উওীর্ণ এবং লাইসেন্সবিহীন ওষুধ প্যাডের মধ্যে লিখে দেয় তাহলে তাদের কি করার আছে। পরিশেষে স্থানীয় লোকজন ও সেবা প্রত্যাশী রোগীদের দাবি দালালদের দৌরাত্ব, চুরি, ছিনতাই এবং ডাক্তারদের দায়িত্বহীনতা বা পার্সেন্টিজ.
.
নেওয়ার যে বিষয়টি রয়েছে সেই জায়গা থেকে যেন তারা বেরিয়ে আসে। এ বিষয়ে তারা জেলা প্রশাসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন।. .
ডে-নাইট-নিউজ /
আপনার মতামত লিখুন: