নিজস্ব প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনের এক কর্মচারী চাকরির প্রভাব খাটিয়ে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি আত্মসাতের ভয়ংকর অভিযোগ উঠেছে।.
.
তথ্য সূত্রে জানা যায় মৃত মাকসুদুর রহমানের স্ত্রী তানজিনা আক্তার লিপির অভিযোগ, নগর ভবনে কর্মরত আনাস রহমানের পাওয়ারে তার বাবা মাহবুবুর রহমান ও চাচা হাবিবুর রহমান, আনিসুর রহমান মিলে জাল দলিলে সম্পত্তি বিক্রি করে এখন তাকে ও তার এতিম সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।.
.
ভুক্তভোগী তানজিনা আক্তার লিপি জানান, মাহবুবুর রহমানের ছেলে আনাস রহমান নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে চাকরি করেন। সেই চাকরির পাওয়ার ও প্রভাব খাটিয়েই আনাস রহমানের বাবা মাহবুবুর রহমান, চাচা হাবিবুর রহমান ও আপন চাচা আনিসুর রহমান মিলে মাকসুদুর রহমানের সকল সম্পত্তি আত্মসাৎ করছেন।.
অভিযোগে প্রকাশ, মাকসুদুর রহমান জীবিত থাকতেই তার মা অন্য একটি আসল দলিলের নম্বর আসল দলিল নং- ১৮৬০, ২১১২, ১৮ ৬২ তিন দলিলে মাকসুর রহমান, পিতাঃ সিদ্দিকুর রহমান। দাতাঃ জাফর আলী.
ফরাজী গ্রহীতা মাকসুদুর রহমান, পিতা: সিদ্দিকুর রহমান এই তিন দলিলের জায়গা, অন্য একটা অরজিনিয়াল দলিলের নাম্বার ব্যবহার করে জাল দলিল তৈরি করেন জাল দলিল নং- ৪৯১৬ মাকসুদা রহমান ও দলিল লেখক বন্দরের গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী সহ আরো অনকে জরিত আছেন বলে ভুক্তভোগী তানজিন আক্তার লিপির অভিযোগ। তাদের দলিল ৪৯১৬ নাম্বার দলিল এবং দাতা রতন আলী খন্দকার, ও গ্রহীতা মাকসুদা রহমান নাম দিয়ে তল্লাশি দিয়ে ভুক্তভোগী মৃত মাসুদুর রহমানের স্ত্রী তানজিনা আক্তার লিপি জানান এই নাম্বারের দলিল অরজিনাল দলিল থেকে নাম্বার নিয়ে তারা জাল দলিল তৈরি করা হয়েছে বলে রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানানো হয়, ওই জাল দলিলের সাক্ষী ছিলেন মাহবুবুর রহমান। সেই জাল দলিল দিয়েই নারায়ণগঞ্জ বন্দরের কৃষ্ণপুরা এলাকায় মাকসুদুর রহমানের ক্রয়কৃত জমি বিক্রি করে দেওয়া হয়। এই জালিয়াতিতে মাহাবুব রহমান, হাবিবুর রহমান ও লুৎফর রহমানও জড়িত।.
অপর দিকে ইস্পাহানি বাজার থেকে লাখ টাকা লুটের আরও অভিযোগ মাকসুদুর রহমানের ওয়ারিশ হিসেবে তার স্ত্রী ও একমাত্র সন্তান মাহাদী রহমান সাদিকের প্রাপ্য অংশ না দিয়ে একরামপুর ইস্পাহানি কাঁচাবাজার থেকে প্রতি মাসে আদায়কৃত লাখ লাখ টাকা ভাড়া মাহবুবুর রহমান, হাবিবুর রহমান ও আনিসুর রহমান আত্মসাৎ করছেন।.
হত্যার হুমকি বিষয়ে ভুক্তভোগীর দাবি, নগর ভবনের কর্মচারী আনাস রহমানের ইন্ধনে তার বাবা ও চাচারা এখন তানজিনা আক্তার ও তার ছেলে সাদিককে যেকোনো মুহূর্তে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। বিভিন্ন লোক মারফত নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।.
তানজিনা আক্তার জানিয়েছেন, তার কাছে জাল দলিল, আসল দলিল, ওয়ারিশ সনদসহ সকল প্রমাণ আছে। তিনি নিজের ও সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এবং সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন।.
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান, হাবিবুর রহমান, আনিসুর রহমান ও নগর ভবনের কর্মচারী আনাস রহমানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।.
.
ডে-নাইট-নিউজ /
আপনার মতামত লিখুন: