• ঢাকা
  • সোমবার, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২২ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • Govt. SL. No:-352

Advertise your products here

সবজি চাষীদের মাথায় হাত: বৃষ্টিতে শত-শত হেক্টর জমির সবজি নষ্ট 


ডে-নাইট-নিউজ ; প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:৩৯ পিএম;
সবজি চাষীদের মাথায় হাত: বৃষ্টিতে শত-শত হেক্টর জমির সবজি নষ্ট 
সবজি চাষীদের মাথায় হাত: বৃষ্টিতে শত-শত হেক্টর জমির সবজি নষ্ট 

ঘুর্ণিঝড় মিধিলি'র প্রভাবে বিশ্বনাথ উপজেলার সবজি চাষীদের মাথায় হাত পড়েছে। বৃষ্টির পানি জমে কয়েক শত হেক্টর আবাদি সবজির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইতিমধ্যে। ১৭ নভেম্বর শুক্রবার সকাল থেকে অবিরাম বৃষ্টিতে বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজী, খাজাঞ্চি ইউনিয়ন, অলংকারি ও রামপাশা- ইউনিয়ন সহ সবকটি ইউনিয়নের আবাদি সবজির বাগানগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে এসব ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সার, বীজ, শ্রম ও পূঁজি খুইয়েছেন হাজার হাজার চাষি। বৃষ্টি থামলেও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষক তাতে কোন সন্দেহ নেই। .

আগাম সবজি লাল শাক, লাই শাক, মুলা, লাউ, মিষ্টি কুমড়া, আলু, টমেটো, সরিষা সহ সব ধরনের সবজীর পাশাপাশি বীজতলা ও ক্ষতি তালিকায় রয়েছে। সবজি চাষে বিখ্যাত উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের একাধিক কৃষকদের মাঠে পানি নিষ্কাসনের কাজে দিনব্যাপী ব্যাস্ত থাকতে দেখা গেছে। আজ বৃষ্টি থামার পর চিন্তিত সময় পার করছেন কৃষকেরা। মাঠ শুকানোর পর সার, বীজ ও পুঁজির পুনরায় সংস্থাপন কি আর নতুন করে করা যাবে সেই হিসেব কষছেন অনেকেই। খাজাঞ্চি ইউনিয়নের আলু ও টমেটো চাষী বারিক মিয়া জানিয়েছেন ইতিমধ্যে তিনি ৬ বিঘা জমিতে আলুবীজ ও দেড় বিঘায় টমেটো বপন করেন। খরচ হয়েছে প্রায় দুই লক্ষ টাকার উপরে। বৃষ্টিতে সব নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে ঘুরে দাড়ানো তাঁর পক্ষে আর সম্ভব নয়। নুরুজ আলী নামের আরেক কৃষকের আলু, বাঁধাকপি ও ফুলকপি সহ প্রায় আড়াই বিঘা জমি চারা ও আলুবীজ নষ্ট হয়েছে বলে জানান। যার ক্ষতির পরিমাণ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মত।.

এবারের চলমান রবি মৌসুমে ৩৭১৭ হেক্টর জমিতে সবজি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা জুড়ে সবজি বপন করা হয়েছে ১২৫০ হেক্টর জমিতে এবং বাকি বপন কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।.

ইতিমধ্যে উপজেলার ২২০০ জন কৃষকের মাঝে সরিষা (১৮০০ জন), গম, ভূট্টা, সূর্যমুখী, মুগ, মসূর ও চীনাবাদাম ফসলের বীজ ও সার (১ বিঘা জমির জন্য) কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।.

এছাড়া ৩২০০ জন কৃষকের মাঝে ২ কেজি করে হাইব্রিড ধান বীজ বিতরণ চলমান রয়েছে।.

উপজেলা কৃষি অফিসার কনক চন্দ্র রায় জানিয়েছেন আাবদকৃত সবজির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন প্রাকৃতিক বিপর্যয় কাটিয়ে সবজি চাষীরা পুনরায় চাষে মনযোগী হবেন এবং সময়মত কাংখিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।. .

ডে-নাইট-নিউজ / মো. সায়েস্তা মিয়া, বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ

কৃষি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ