সূর্য আহমেদ মিঠুন : নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ গোদনাইল নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড ২ নং ঢাকেশ্বরী চেয়ারম্যান অফিস সংলগ্ন রতন মিয়ার বাড়িতে বাড়া থাকেন তানিয়া আক্তার ( ২৬), তার স্বামী মো: সজিব আহমেদ-পিতা: হারুন রশীদ, মাতা: ফেরুজা বেগম। স্থায়ী বাড়ি চারআনী জাংগালিয়া মাদারগঞ্জ, জামালপুর। এ বিষয়ে গণমাধ্যম কে তিনি জানান আমি তানিয়া আক্তার (২৬) এবং আমার স্বামী সজিব আহমেদ (৩২) ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ করি। আমাদের দীর্ঘ ৯ বছর ৫ মাস সংসার জীবন। কিন্তু স্ত্রী তানিয়া বলেন এই ৯ বছর ৫ মাস সংসার জীবনে সজিব কোন কাজ কর্ম ঠিকমত করে নাই । এবং আমি নিজে গার্মেন্টসে কাজ করে সংসার চালাই। আমার স্বামী আমার বেতনের টাকা নেওয়ার জন্য সব সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন যা দেখে আমার সন্তান ও ভয় পেতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় নেশা করা আর মানুষের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে সেই ঋণ আমাকে পরিশোধ করতে বিভিন্ন ভাবে শারীরিক নির্যাতন করতো। কাজ কাম করে না এবং ঘর ভাড়া ও সংসার খরচ নিয়ে গেল মার্চ মাসের ২৮ তারিখ ২০২৬ ইং রাতে স্বামী সজিবের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় তুমুল ঝগড়া হয় এবং আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে । পরে সকাল ৭ টায় আমি উঠে কর্মস্থল গার্মেন্টস চলে যাই। এর পর বেলা আনুমানিক ১১:৩০ ঘটিকায় আমার স্বামী সজীব ঘর থেকে ৮ আনা সোনা, নগদ ৩৫০০০ টাকা এবং আমার ছোট ছেলে তানজিদ কে নিয়ে পালিয়ে যায়। সে যাওয়ার সময় আমাদের ঘরের প্রতিবেশী নিজ চোখে দেখতে পায়। এর পর থেকে আমার ছেলের সাথে ফোনে ২ বার কথা বলিয়ে দেয় কিন্তু আজ প্রায় ২৫ দিন আমার ছেলে তানজিদের কোন খোঁজ পাচ্ছি না। এ বিষয়ে সিদ্দিরগঞ্জ থানায় আমার স্বামী সজিব আহমেদ এর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি জানতে পেরেছি তার মা ফেরুজা বেগম পাঠানটুলী এলাকায় থাকে এবং তারা পরিকল্পীত ভাবেই ওখানেই আমার সন্তান কে লুকিয়ে রেখেছে। তার মা জানে সজিব কোথায় আছে কিন্তু সত্যি টা স্বীকার করছে না। উল্টো আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করছে এবং তার ছেলের মত বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে। আমি আমার নারী ছেড়া ধন সন্তান তানজিদের জন্য প্রতিদিন অঝরে কাঁদছি। আমি নিরহ্ একজন কর্মজীবী নারী আমার সন্তান কে ফেরত চাই। আমার ছোট ছেলে তানজিদ কে ফেরত পেতে প্রশাসন ও সকলের সহযোগিতা একান্ত ভাবে কামনা করছি।.
ডে-নাইট-নিউজ /
আপনার মতামত লিখুন: