• ঢাকা
  • সোমবার, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ০৮ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • Govt. SL. No:-352

Advertise your products here

ঢাকা কাস্টমস এর ঝাড়ুদার সৈয়দ আলী হঠাৎ কোটিপতি


ডে-নাইট-নিউজ ; প্রকাশিত: রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:১৩ পিএম;
ঢাকা কাস্টমস এর ঝাড়ুদার  সৈয়দ আলী হঠাৎ কোটিপতি
ঢাকা কাস্টমস এর ঝাড়ুদার সৈয়দ আলী হঠাৎ কোটিপতি

নিজেস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের এক নৈশপ্রহরী যার চাকরিজীবন শুরু হয়েছিল দৈনিক ২০০ টাকার ঝাড়ুদার হিসেবে বর্তমানে বিপুল সম্পদের মালিক বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে তিনি পরিচিত একজন প্রভাবশালী কাস্টমস কর্মকর্তা হিসেবে, যদিও তার সরকারি পদ নিম্নপদস্থ কর্মচারীর।

‎তথ‍্য অনুসন্ধানে উঠে আসে যে,  সৈয়দ আলী ওরফে সবুজ প্রথমে মতিঝিলের দিলকুশায় জীবন বীমা টাওয়ারে অবস্থিত ট্রাইব্যুনালে মাস্টার রোলে ঝাড়ুদার হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে স্থায়ীভাবে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে নৈশপ্রহরীর পদে নিযুক্ত হন। তবে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ কালুহাজী রোড  এলাকায় তার পরিচিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন সেখানে তিনি নিজেকে মহা মূল‍্যবান উচ্চপদস্থ কাস্টমস কর্মকর্তা হিসেবে এলাকাবাসীর কাছে উপস্থাপন করেন।

‎এলাকার সচেতন মহলের প্রশ্ন কিভাবে তিনি  দৈনিক ২০০ টাকা বেতনের ঝাড়ুদার থেকে পরবর্তীতে নৈশপ্রহরী হওয়া সৈয়দ আলী ওরফে সবুজ কোন উপায়ে আলাদিনের চেরাগ পেয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে গেলেন? স্থানীয় সূত্রে মতে জানা যায়, তার এই সম্পদের মধ্যে রয়েছে রাজধানী ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট এবং বিপুল পরিমাণ জমি।  নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি কালুহাজী রোড  এলাকায় যার মধ্যে রয়েছে দুটি দোতলা ভবন, ৫ তলা একটি ভবন, ৬ কাঠার জমিতে একতলা পাকা দালান ও ২০ কক্ষের টিনশেড ঘর। এছাড়া একই এলাকায় আরও একটি বহুতল ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে। 
‎তথ‍্য সূত্রে আরো জানা যায়, শুধু নারায়ণগঞ্জেই নয়, ঢাকার রায়েরবাগে একটি মূল্যবান ফ্ল্যাট এবং রূপগঞ্জের গাউসিয়া এলাকায় প্রায় সাড়ে ৫ কাঠার একটি বাণিজ্যিক প্লটের মালিকানার তথ্যও পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, এসব সম্পদের মোট মূল্য অন্তত ১০ কোটি টাকা।

‎এলাকার সচেতন মহলের দাবি মাত্র কয়েক বছর আগেও সৈয়দ আলী ওরফে সবুজ নারায়ণগঞ্জে ৮০০ টাকা মাসিক ভাড়ায় থাকতেন। কিন্তু ঢাকা কাস্টমস এর চাকুরীর সুবাদে তিনি যেন সম্পদ অর্জনে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে গেছেন। এত ছোট একটি ঝাড়ুদার পোষ্টে অল্প টাকা বেতনে কিভাবে সৈয়দ আলী সবুজ এত সম্পদের মালিক হতে পারেন। এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সিদ্ধিরগঞ্জের কালুহাজী রোড এলাকায়। 

‎ অনুসন্ধানে জানা যায়, কাস্টমস কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে ও বিভিন্ন সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত হয়ে তিনি বিপুল পরিমাণ এই অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে জানতে সৈয়দ আলীর মোবাইল ফোনে ফোন করলে নম্বর টি বন্ধ পাওয়া যায়। 
‎সচেতন মহলের দাবি দুদক যদি সৈয়দ আলী ওরফে সবুজের এর  সম্পদের সঠিক হিসাব নিকাশ যাচাই করে তাহলে  অনেক অসংগতি পাবে।.

.

ডে-নাইট-নিউজ /

অপরাধ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ