স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা ডেমরা সাব-রেজিস্টার জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘ ২ বছরের বেশি সময় ধরে ডেমরা রেজিস্ট্রি অফিসের দায়িত্বে কর্মরত। তথ্য অনুসন্ধানে উঠে আসে তার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। অফিসের মধ্যে অফিস সহকারীকে দিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে দলিল লেখক সমিতির সদস্যদের নামসহ পৃথক পৃথকভাবে সেবাগ্রাহকদের ভোগান্তি করে কারেকশনের নামে হয়রানি, টিপসই আর দলিলের পৃষ্ঠা উল্টাতে পৃষ্ঠা গুনে গুনে দিতে হয় বাড়তি খরচ, দলিল রেজিস্ট্রি নিবন্ধনে দিতে হয় সেরেস্তা খরচ, অফিস খরচ ইত্যাদি।
স্থানীয় সূত্র মতে, অভিযোগ রয়েছে উক্ত কর্মকর্তা ডেমরা এলাকাটি লোভনীয় পয়েন্ট হওয়ায় তদবির করে পোস্টিং ভোগ করে চেয়ারে বসেছেন। পাশাপাশি তদবিরে মিলে মিস্টি কথাটির সাথে মিল রেখে গত ২ বছরেরও বেশি সময় যাবত একই চেয়ারে বহাল তবিয়তে। প্রতি দলিলে অফিস খরচের নামে অতিরিক্ত টাকা আত্মসাৎ, টাকা না দিলে দলিলে ইচ্ছা করে দেখিয়ে হয়রানি, জমির প্রকৃত বিনিময় মূল্য কম দেখিয়ে টাকার বিনিময়ে দলিলে সই, এতে রেজিস্ট্রেশন ফি হতে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।
গুরুত্বরো আরো অভিযোগ উঠেছে "জমি নিবন্ধন করতে আসা সেবাগ্রাহকরা সাব-রেজিষ্টার জাহাঙ্গীর আলম ও তার সহযোগী সাজু সহ পুরো সিন্ডিকেটের কাছে ডেমরা জোনের সকল গ্রাহক জিম্মি। যেখানে সরজমিনে দেখা যায় দলিল প্রতি অতিরিক্ত টাকা না দিলে কেউই জমি রেজিষ্ট্রি করতে পারে না। .
উক্ত অনিয়মের বিষয়ে তার সহযোগী সাজুর সঙ্গে কথা বলে সাব-রেজিষ্টার জাহাঙ্গীর আলমের সময় চাওয়া হয়। কিন্তু সাজু রাগ হয়ে উল্টো প্রতিবেদক এর সাথে খারাপ আচরণ করতে থাকে। এবং বলে স্যারের বিরুদ্ধে পত্রিকায় লিখে কিছুই হবে না। যা পারেন করেন গা। স্যার এসব নিউজ কে তোয়াক্কা করে না। স্যারের কোন সাংবাদিক লিখে কিছু করতে পারে নাই এবং ভবিষ্যতে ও পারবে না।
অভিযোগ এ বিষয়ে জানতে সাব রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম'কে মুঠোফোনে ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। .
ডেমরা জোনের ভুক্তভোগী সেবা গ্রহীতারা সরকারের কাছে জোরালো দাবি করেন যেন, ঘুষ ছাড়া সহজে জমি রেজিষ্ট্রি করতে পারে তার একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করে দেয় । এবং উক্ত বিষয়ে সরকারি ভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি এবং ঘুষ লেনদেনের আসল সত্য উঠে আসবে।.
.
ডে-নাইট-নিউজ /
আপনার মতামত লিখুন: