নিজস্ব প্রতিনিধি : গাজীপুর সদর ভূমি অফিসে ভুয়া দলিল ব্যবহার করে হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে খারিজ সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী পক্ষের ভুক্তভোগী সাংবাদিক সূর্য আহমেদ মিঠুন এর দাবি, পূবাইলের জাল বা ভুয়া কাগজপত্রের ভিত্তিতে নামজারি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তথ্য অনুসন্ধানে উঠে আসে অভিযোগ অনুযায়ী, গাজীপুর সদর ভূমি অফিসে দাখিল করা একটি খারিজ মামলায় ভুয়া দলিল ও বিতর্কিত কাগজপত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রকৃত মালিকানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক সূর্য আহমেদ মিঠুন।.
.
তিনি দাবী করে বলেন হুমায়ুন কবিরের ১১০৯২ নং দলিলে সিএস খতিয়ান ৩৬৬, ৩৬৬/২২, ও এস এ খতিয়ান ৭৪৪ এবং আর এস খতিয়ান ১৯৯ এর একটি খতিয়ান ও নেই এবং জমিটি সম্পূর্ণ আলাদা। তাহলে আর এস খতিয়ান ১৯৯ ও আর এস দাগ ১১৮২ সহ পূর্বের কোন খতিয়ান হুমায়ুন কবিরের দলিল নং ১১০৯২ তে না থাকা স্বত্বেও কিভাবে হুমায়ুন কবির অন্য মালিকানা জমি ৩০ শতাংশ জমি থেকে ২১ শতাংশ জমির খারিজ পেলো? অভিযোগকারী ভুক্তভোগী সাংবাদিক সূর্য আহমেদ মিঠুন আরো বলেন, জমির প্রকৃত মালিকানা ও বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে খারিজের আবেদন করা হয়েছে।.
.
যা ভূমি কর্মকর্তারা সঠিক ভাবে যাচাই বাচাই না করে হুমায়ুন কবির কে খারিজ দিয়ে দিয়েছে যা খুবই অন্যায়। ভুক্তভোগী বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও ভুয়া দলিলের অভিযোগ নতুন নয়। এমন অভিযোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই, শুনানি এবং আইন অনুযায়ী তদন্ত শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিধান রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব। নামজারি (খারিজ) আবেদন নিষ্পত্তির আগে তদন্ত ও শুনানির বিধানও রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক সূর্য আহমেদ মিঠুন। .
ডে-নাইট-নিউজ /
আপনার মতামত লিখুন: