
জয়পুরহাট প্রতিনিধি জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে একটি ভাড়া বাসার শৌচাগার থেকে রুবেল (৫০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার সন্ধ্যায় পৌরসভার করিমপুর ত্রিমুহনী মোড় এলাকার ওই বাসা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রুবেল জেলার কালাই উপজেলার মূলগ্রামের লালচান ওরফে মন্টুর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কসাই ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ার পর তিন মাস ধরে রুবেল করিমপুর ত্রিমুহনী মোড় এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে একাই থাকতেন। তাঁর তিন সন্তান রয়েছে। রুবেল স্থানীয় সাহেব কসাইয়ের সঙ্গে করিমপুর, ইটাখোলা ও ক্ষেতলাল বাজারে গরু জবাই ও মাংস বিক্রির কাজ করতেন। তিনি আগে থেকেই হৃদ্রোগে ভুগছিলেন।
রুবেলের মহাজন সাহেব কসাই জানান, গত রোববার সন্ধ্যায় করিমপুর বাজারে তাঁরা একসঙ্গে চা পান করেন। এরপর রুবেল বাসায় ফিরে যান। তারপর থেকে তাঁকে আর বাইরে দেখা যায়নি। সোমবার বিকেলে তিনি রুবেলের বাসায় গিয়ে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও রুবেলের ছেলেদের খবর দেন। পরে তাঁরা বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শৌচাগারের ভেতর রুবেলের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, লাশ উদ্ধারের সময় ওই কক্ষ থেকে মাদক সেবনের কিছু সরঞ্জাম পাওয়া গেছে।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ট্রোক করে রুবেলের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জয়পুরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।